১০০ প্রকার যাদুটোনা, বদ নজর, জিনের আছর সমুলে নির্মূল করার কোরআনী চিকিৎসা। রুকাইয়্যা। ঝাড়ফুঁক

১০০ প্রকার যাদুটোনা, বদ নজর, জিনের আছর সমুলে নির্মূল করার কোরআনী চিকিৎসা। রুকাইয়্যা। ঝাড়ফুঁক



আউজুবিল্লাহিস সামিয়িল আলিম মিনাশ শায়তানির রাজিম, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, সন্মানিত দশকমন্ডলী আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহ,

এই রুকাইয়্যা ও দোয়াগুলি ১০০ ধরনের ভয়ংকর যাদুটোনা ধ্বংস করার, ভেঙ্গে চুরমার করার, জ্বালিয়ে ফেলার এবং তার আছরসমুহ নষ্ট করার জন্য আপনাদের খেদমতে পেশ করা হচ্ছে। আপনার উপর যত কঠিন যাদুই হউক যদি তা কোথাও দাফন করা হয়,

নদী বা সমুদ্রের পানিতে যদি ভাসিয়ে দেয়া হয়, যদি কোথাও ঝুলিয়ে দেয়া হয়, কিংবা যাদু করে কোন কিছু খাওয়ানো বা পান করানো হয়, কিংবা রোগব্যাধী, ঝগড়া বিবাদ, কিংবা স্বামী স্ত্রীর মধ্যে তালাক করানোর জন্য যদি যাদু করা হয়, মোটকথা আপনার উপর যত কঠিন থেকে কটিন যাদু করা হউক আল্লাহর কালামের বরকতে আল্লাহর অশেষ রহমতে ইনশা আল্লাহ সব ধরনের যাদু আজ ধ্বংস হয়ে যাবে।কেননা আমি আল্লাহর কালাম থেকে এই ১০০ ধরনের যাদুর চিকিৎসা আজ করব যে কালামের ব্যপারে আল্লাহ  এরশাদ করেন

لَوْ أَنزَلْنَا هَٰذَا الْقُرْآنَ عَلَىٰ جَبَلٍ لَّرَأَيْتَهُ خَاشِعًا مُّتَصَدِّعًا مِّنْ خَشْيَةِ اللَّهِ ۚ وَتِلْكَ الْأَمْثَالُ نَضْرِبُهَا لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُونَ

আমি যদি এই কোরআন কোনো পর্বতের ওপর অবতীর্ণ করতাম, তবে তুমি দেখতে পেতে যে, আল্লাহর ভয়ে তা বিনীত ও বিদীর্ণ হয়ে গেছে। আমি এসব দৃষ্টান্ত মানুষের জন্য বর্ণনা করি, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে।"

ইনশা আল্লাহ আল্লাহর কালামের বরকতে আপনার উপর যেমন যাদুই হউক, আল্লাহর হকুমে ধ্বংস হয়ে যাবে, বিদীন হয়ে যাবে, আপনার পুরা ঘর, আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, আপনার শরীর যাদুটোনা থেকে পাক ও সাফ হয়ে যাবে। প্রতিটি কথা খুবই মূল্যবান তাই শেষ পর্যন্ত প্রতিটি কথা মনযোগ দিয়ে শুনে বুঝে নিন তারপর আমল করুন।

যত শক্তিশালী যাদু হউক, যত শক্তিশালী কালো যাদু হউক সব যাদু আজ ভেঙ্গে চুড়মার হয়ে যাবে। ১০০ ধরনের যাদু থেকে মুক্তির সহজ রুকাইয়্যা আজ আপনাদের শিখিয়ে দিব। আপনার সাজানো সংসার কি হুট করেই এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে? কোনো কারণ ছাড়াই কি শরীরে অজানা রোগ বাসা বাঁধছে? কিংবা পরিবারের মানুষের মাঝে অকারণে অশান্তি, রাগ আর জেদ লেগেই আছে? হয়তো এর পেছনে লুকিয়ে আছে এমন কোনো অশুভ শক্তি, যা আপনি খালি চোখে দেখতে পাচ্ছেন না।

মানুষের জীবনে এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যার কোনো সহজ ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যায় না।
হঠাৎ সুখের সংসারে অশান্তিঅকারণে অসুস্থতাবারবার রিজিক বন্ধ হয়ে যাওয়ানামাজে অমনোযোগঅকারণে ভয়, দুশ্চিন্তা, ঘুমের সমস্যাকিংবা হঠাৎ একের পর এক বিপদ

হ্যাঁ, আজ আমরা কথা বলবো এমন এক বিষয় নিয়ে, যা শুনলে হয়তো আপনার গা শিউরে উঠবে যাদু-টোনা, কালো যাদু এবং জ্বিনের বদনজর। ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন, কারণ আজকের এই আলোচনা হয়তো আপনার বা আপনার প্রিয়জনের জীবনকে এক বড় ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে পারে।

আপনার জীবনে যদি এসব সমস্যা থেকে কোন একটি সমস্যা থাকে তাহলে কমেন্টে আপনার সমস্যা কি যাদু? নাকি জ্বিনের আছর? নাকি বদ নজর তা লিখে জানান

অনেকেই ভাবেন এগুলো হয়তো নিছকই কুসংস্কার। কিন্তু পবিত্র কুরআন এবং সহিহ হাদিসে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে যাদু এবং বদনজরের কথা বলা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা যাদুর অস্তিত্বের কথা উল্লেখ করেছেন। সূরা বাক্বারায় হারূত ও মারূতের ঘটনা এসেছে। স্বয়ং আমাদের প্রিয় নবী রাসূলুল্লাহ (সা.)-ও এর শিকার হয়েছিলেন, যা থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহ তায়ালা আসমান থেকে সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস নাযিল করেন।

কালো যাদু বা বদনজর হলো এমন এক নীরব ঘাতক, যা হাসিখুশি একটা মানুষকে তিলে তিলে শেষ করে দিতে পারে। একটা সুন্দর পরিবারকে চোখের পলকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে পারে। কীভাবে বুঝবেন আপনি বা আপনার কাছের কেউ এই ভয়ংকর জালের শিকার?

অকারণে চরম হতাশা, রাতে ভয়ানক বা নোংরা স্বপ্ন দেখা, বড় বড় ডাক্তারি পরীক্ষায় কোনো রোগ ধরা না পড়া অথচ শরীর ভেঙে যাওয়া, কিংবা হঠাৎ করে ব্যবসায় বড় ধস এগুলো হতে পারে সেই অশুভ ছায়ার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত। একটা কথা মনে রাখবেন, মানুষের বদনজর এতোটাই ভয়ংকর যে, রাসূল (সা.) বলেছেন, "বদনজর মানুষকে কবরে আর উটকে হাঁড়িতে পৌঁছে দেয়।"

যাদু এমন এক শয়তানি কাজ, যার মাধ্যমে মানুষকে কষ্ট দেওয়া, বিভ্রান্ত করা, সম্পর্ক নষ্ট করা বা ক্ষতি করার চেষ্টা করা হয়। এটি বড় গুনাহ ও ভয়ংকর হারাম কাজ।

রাসূল বলেছেন সাতটি ধ্বংসকারী গুনাহ থেকে বেঁচে থাকো।সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেনসেগুলো কী? তিনি বললেন আল্লাহর সাথে শরীক করা এবং যাদু করা সহীহ বুখারী

কিছু মানুষ হিংসা, প্রতিশোধ বা লোভের কারণে কালো যাদুর আশ্রয় নেয়। কেউ চায় স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক নষ্ট করতে কেউ চায় ব্যবসা ধ্বংস করতে কেউ চায় একজন মানুষকে মানসিকভাবে দুর্বল করে দিতে কিন্তু মনে রাখুন যাদুকর কখনো সফল নয়। সে দুনিয়াতে অপমানিত, আখিরাতে ধ্বংসপ্রাপ্ত।

আল্লাহ বলেনঃ তারা এমন জিনিস শেখে যা স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ ঘটায়। কিন্তু আল্লাহর অনুমতি ছাড়া তারা কারো কোনো ক্ষতি করতে পারে না। সূরা বাক্বারা: ১০২

এই আয়াত আমাদের একটি বিশাল শিক্ষা দেয় যাদুর শক্তি আল্লাহর শক্তির সামনে কিছুই না।

অনেক মানুষ ভাবে বদনজর শুধু কুসংস্কার। কিন্তু রাসূল বলেছেনঃ বদনজর সত্য। সহীহ মুসলিম

কখনো একজন মানুষের সৌন্দর্য, সফলতা, সন্তান, রিজিক বা সুখ দেখে অন্যের হিংসাপূর্ণ দৃষ্টি ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে কোনো কিছু ভালো লাগলে বলতে হবে: মা শা আল্লাহ” “বারাকাল্লাহু ফীকযাতে শয়তান ও হিংসার প্রভাব কমে যায়।

জ্বিনের আছর কীভাবে বুঝবেন? প্রথমেই মনে রাখুন প্রতিটি মানসিক বা শারীরিক সমস্যা জ্বিননয়। অনেক সময় চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। ইসলাম চিকিৎসাকে উৎসাহ দেয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে রুকইয়াহর প্রয়োজন হতে পারে, যেমন

  • কুরআন শুনলে অস্বাভাবিক অস্থিরতা
  • অকারণে ভয়ংকর স্বপ্ন
  • নামাজ ও কুরআন থেকে দূরে সরে যাওয়া
  • হঠাৎ অতিরিক্ত রাগ বা অস্থিরতা
  • ঘরে সবসময় অশান্তি
  • অস্বাভাবিক ভয় ও চাপ

কিন্তু মনে রাখবেন কারো সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জ্বিনে ধরেছেবলা খুব বিপজ্জনক।

সবচেয়ে বড় ভুল আল্লাহকে ছেড়ে ভণ্ডদের কাছে যাওয়া আজ অনেক মানুষ ভয় দেখিয়ে ব্যবসা করছে। কেউ বলেতোমার উপর ৭টা জ্বিন আছেকেউ বলেএই তাবিজ ছাড়া মুক্তি নেইকেউ আবার শিরক ও কুফরী কাজ করায়। সাবধান! রাসূল বলেছেনঃ যে ব্যক্তি গণক বা জ্যোতিষীর কাছে গেল এবং তার কথা বিশ্বাস করল, সে মুহাম্মদ এর উপর যা নাযিল হয়েছে তা অস্বীকার করল। মুসনাদ আহমদ

যাদের উপর কালো যাদু হয়, বদ নজর হয়, জিনের আসর হয় তারা ভয় পেয়ে গিয়ে ভন্ডদের খপ্পরে পরে লাখ লাখ টাকা নষ্ট করে ফেলে, অথচ তাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে সুন্দর সমাধান আছে ভয় পাবেন না! হতাশার কিছু নেই। আল্লাহ তায়ালা যেখানে রোগ দিয়েছেন, সেখানে শেফাও রেখেছেন। কালো যাদু যতই শক্তিশালী হোক না কেন, আল্লাহর কালামের শক্তির কাছে তা কিছুই না। চলুন জেনে নিই, এই ভয়ংকর কালো যাদু, জ্বিনের আসর এবং বদনজর থেকে নিজেকে এবং পরিবারকে বাঁচানোর অব্যর্থ কুরআনী আমল বা রুকইয়াহগুলো।

যাদু, বদনজর ও জ্বিন থেকে বাঁচার শক্তিশালী আমল-কিছু আমল আপনি নিজে নিজে করতে হবে আর কিছু আমল আপনি মোবাইল এর অডিও রেকর্ড চালানোর মাধ্যমে করতে পারবেন, সবগুলির নিয়ম এখন আপনাদের সুবিধার্থে সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিচ্ছি। আমল করার আগে আপনি কোন শহর থেকে আমল করবেন সে শহরের নাম কমেন্টে লিখে জানান।

১. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যে ব্যক্তি নামাজ ধরে রাখে, সে আল্লাহর হেফাজতে থাকে। শয়তান সবচেয়ে বেশি ভয় পায় নামাজি মানুষকে।

২. তিন ক্বুলের শক্তিশালী ঢাল: প্রতিদিন সকাল, সন্ধ্যা এবং রাতে ঘুমানোর আগে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক্ব এবং সূরা নাস এই তিনটি সূরা তিনবার করে পড়ে দুই হাতে ফুঁ দিয়ে মাথা থেকে শুরু করে পুরো শরীরে মুছে নিন। এটি রাসূল (সা.) এর নিয়মিত আমল ছিল। বিশ্বাস করুন, এই আমলটি আপনার চারপাশে এমন এক অদৃশ্য দেয়াল তৈরি করবে, যা কোনো যাদু ভেদ করতে পারবে না।

৩. আয়াতুল কুরসীর হেফাজত: প্রতি ফরজ নামাজের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসী পাঠ করুন। হাদিসে পরিষ্কার বলা আছে, রাতে আয়াতুল কুরসী পড়লে সকাল পর্যন্ত আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন ফেরেশতা আপনার রক্ষক হিসেবে নিযুক্ত থাকে এবং কোনো শয়তান বা অশুভ শক্তি আপনার ধারেকাছেও আসতে পারে না।

৪. সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত: রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়বে, সেটা তার যাবতীয় সুরক্ষার জন্য যথেষ্ট হবে। আপনার ঘরে যদি অশান্তি থাকে, তবে ঘরে সূরা বাকারা তিলাওয়াত করুন বা অডিও চালু করে রাখুন। যে ঘরে সূরা বাকারা পড়া হয়, শয়তান সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়।

৫. বদনজর থেকে বাঁচার বিশেষ দোয়া: নিজেকে, সন্তানদের এবং সম্পদকে বদনজর থেকে বাঁচাতে এই দোয়াটি বেশি বেশি পড়ুন: "আউযু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন কুল্লি শায়তানিউ ওয়া হাম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি আইনিল লাম্মাহ।" (অর্থ: আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীসমূহের আশ্রয়ে চাচ্ছি প্রতিটি শয়তান, বিষাক্ত প্রাণী এবং ক্ষতিকর বদনজর থেকে।)

৬. এই দোয়াটি বেশি বেশি পড়ুন

بِسْمِ اللهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু মাআসমিহী শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামা-ই, ওয়াহুওয়াস সামীউল আলীম।

অর্থঃ আল্লাহর নামে শুরু করছি, যার নামের বরকতে আসমান-জমিনের কোনো কিছু ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।সকাল-সন্ধ্যায় ৩ বার পড়ুন।

৭. ঘরে সূরা বাক্বারা তিলাওয়াত করুন রাসূল বলেছেনঃ যে ঘরে সূরা বাক্বারা পড়া হয়, সেখানে শয়তান প্রবেশ করে না। সহীহ মুসলিম আপনি যদি পড়তে নাও পারেন ঘরে মোবাইল থেকে সুরা বাকারার তেলাওয়াত বড় আওয়াজে ছেড়ে দিবেন।

৮. তাওবা ও ইস্তিগফার অনেক সময় গুনাহ মানুষের জীবনে অন্ধকার ডেকে আনে। যে ঘরে গান, হারাম, অশ্লীলতা ও নামাজহীনতা থাকে সেই ঘর দুর্বল হয়ে যায়। তাই বেশি বেশি পড়ুন:  আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি।

৯. সবসময় ওজু অবস্থায় থাকা: ওজু হলো মুমিনের সবচেয়ে বড় আধ্যাত্মিক অস্ত্র। যে ব্যক্তি সবসময় পাক-পবিত্র এবং ওজুদশা বজায় রাখে, কালো যাদু বা জ্বিন তার ওপর সহজে প্রভাব ফেলতে পারে না।

শক্তিশালী রুকইয়াহ আয়াতসমূহ

এই আয়াতগুলো নিয়মিত শুনতে বা পড়তে পারেনঃ

  • সূরা ফাতিহা
  • আয়াতুল কুরসি
  • সূরা বাক্বারা ১-৫
  • সূরা বাক্বারা ১০২
  • সূরা বাক্বারা ২৫৫-২৫৭
  • সূরা ইখলাস
  • সূরা ফালাক
  • সূরা নাস

মনে রাখবেন সব সমস্যা যাদু নয়।সব কষ্ট জ্বিন নয়। কখনো চিকিৎসা দরকার, কখনো কাউন্সেলিং দরকার, কখনো নিজের ভুলও ঠিক করতে হয়।

ইসলাম ভারসাম্যের ধর্ম। তাই ভয় নয় আল্লাহর উপর ভরসা, নিয়মিত ইবাদত, কুরআনের সাথে সম্পর্ক, আর হালাল জীবনই সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা।

প্রিয় দর্শক, অন্ধকার যতই গভীর হোক না কেন, আল্লাহর নূরের সামনে তা সম্পূর্ণ অসহায়। কালো যাদু বা জ্বিনের বদনজর কোনোকিছুই আল্লাহর হুকুম ছাড়া আপনার একটা পশমও ছিঁড়তে পারবে না। তাই ভয় শয়তানকে নয়, ভয় করুন একমাত্র মহান আল্লাহকে। তাওয়াক্কুল রাখুন তাঁর কালামের ওপর।

মনে রাখবেন যে ঘরে কুরআনের শব্দ থাকে, যে চোখে তাহাজ্জুদের অশ্রু থাকে, যে জিহ্বায় ইস্তিগফার থাকে, যে হৃদয়ে আল্লাহর উপর ভরসা থাকে সেই মানুষকে দুনিয়ার কোনো কালো শক্তি চিরদিন পরাজিত করতে পারে না।

মানুষের যাদু সীমিত কিন্তু আল্লাহর ক্ষমতা অসীম। আপনি আল্লাহর দিকে ফিরে আসুন
দেখবেন অন্ধকারের পর আলো আসবেই, ইনশাআল্লাহ।

আজকের এই ভিডিওটি হয়তো আপনার শেয়ারের কারণে কোনো এক হতাশাগ্রস্ত, যাদুগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে এবং তার জীবন বেঁচে যেতে পারে। তাই ভিডিওটি শেয়ার করে সবাইকে সতর্ক করার অনুরোধ রইলো। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সব ধরনের দৃশ্য ও অদৃশ্য অশুভ শক্তির হাত থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

কোন মন্তব্য নেই

konradlew থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.